কোন দেশ কত উন্নত , তা বোঝা যায় কোনটি বিবেচনা করে?

Updated: 7 months ago
  • দেশের ভৌগোলিক অবস্থান

  • দেশের আয়তন

  • মাথাপিছু বিদ্যুৎশক্তির ব্যবহার

  • দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ

7.8k
ব্যাখ্যাঃ

একটি দেশের উন্নয়ন স্তর পরিমাপ করার জন্য বিভিন্ন সূচক ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে মাথাপিছু বিদ্যুৎশক্তির ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী সূচক।

মাথাপিছু বিদ্যুৎশক্তির ব্যবহার (Per capita electricity consumption) কেন উন্নতির পরিমাপক:

        
  • উচ্চ মাথাপিছু বিদ্যুৎশক্তির ব্যবহার সাধারণত একটি দেশের শিল্পায়ন (industrialization), আধুনিক জীবনযাপন (modern lifestyle), প্রযুক্তিগত অগ্রগতি (technological advancement) এবং সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যকলাপের (overall economic activity) ইঙ্গিত দেয়।
  •     
  • শিল্প ও কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, বাসাবাড়িতে আধুনিক ইলেকট্রনিক্স ব্যবহার এবং উন্নত জীবনযাত্রার জন্য বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে।
  •     
  • একটি উন্নত অর্থনীতিতে, মানুষ উচ্চ প্রযুক্তির সরঞ্জাম ব্যবহার করে, শিল্প কারখানাগুলো বেশি উৎপাদন করে এবং পরিষেবা খাত বিদ্যুৎ-নির্ভর হয়ে ওঠে, যা মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধি করে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো কেন সঠিক নয়:

        
  • দেশের ভৌগোলিক অবস্থান (Geographical location of the country): ভৌগোলিক অবস্থান কোনো দেশের উন্নয়নে পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেললেও এটি সরাসরি উন্নয়নের সূচক নয়। অনেক অনুকূল ভৌগোলিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও দেশ অনুন্নত থাকতে পারে এবং প্রতিকূল অবস্থানে থেকেও অনেক দেশ উন্নত হয়েছে।
  •     
  • দেশের আয়তন (Area/size of the country): একটি দেশের আয়তন তার উন্নতির পরিমাপক নয়। বিশ্বের অনেক ছোট দেশ যেমন সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড অত্যন্ত উন্নত, আবার অনেক বড় দেশ উন্নয়নশীল বা অনুন্নত।
  •     
  • দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ (Natural resources of the country): প্রাকৃতিক সম্পদ একটি দেশের উন্নয়নের ভিত্তি হতে পারে, কিন্তু এটি একমাত্র বা প্রধান পরিমাপক নয়। অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ সমৃদ্ধ দেশ সুশাসনের অভাবে বা সঠিক ব্যবহারের অভাবে অনুন্নত রয়ে গেছে, আবার প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত থাকা সত্ত্বেও অনেক দেশ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে অত্যন্ত উন্নত হয়েছে, যেমন জাপান।

অতএব, উপলব্ধ বিকল্পগুলির মধ্যে, মাথাপিছু বিদ্যুৎশক্তির ব্যবহার একটি দেশের উন্নয়নের স্তর বোঝার জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূচক।

Satt AI
Satt AI
4 days ago

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ১৯৩৯ সালে গোপালগঞ্জ মুসলিম ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৪০ সালে নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের পর ১৯৪৫ সালে ইসলামীয়া কলেজ থেকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নামে পরিচিত।

আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাঃ

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন রোজ গার্ডেনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনে শেখ মুজিবুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন। প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামসুল হক। ১৯৫৩ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে নেতৃত্ব দানকারীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অন্যতম। বঙ্গবন্ধু ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের সর্ব কনিষ্ঠ মন্ত্রী হিসেবে কৃষি-সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন।

মুসলিম শব্দ বাদঃ

১৯৫৫ সালে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৫৫ সালেই তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।

৬ দফা উত্থাপনঃ

১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ, বাঙালি জাতির ম্যাগনাকার্টা হিসেবে খ্যাত ৬ দফা দাবী পেশ করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে পাঞ্জাবের রাজধানী লাহোরে ২৩ মার্চ ছয় দফা দাবী উপস্থাপন করেন।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনঃ

১৯৭০ সালের জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনে যথাক্রমে ১৬৭ ও ২৯৮ টি আসনে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেন। পাকিস্তানি সরকারের টালবাহানায় ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক যুগান্তকারী ৭ মার্চের ভাষণ প্রদান করার মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতার পূর্ণাঙ্গ যাত্রা শুরু করেন।

গ্রেফতার ও স্বাধীনতার ঘোষণাঃ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত বা ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করার কিছু পরেই রাস্ত ১:১০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের মিয়ানওয়ালী কারাগারে নিয়ে যায়। ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হলে পাক হেফাজতে থাকা বঙ্গবন্ধুকে অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।

কারাভোগঃ

বঙ্গবন্ধু তার ৫৬ বছরের জীবনে ২১ বারে ১৪ বছর কারা ভোগ করেন যা দিনের হিসেবে ৪ হাজার ৬৮২ দিন। উল্লেখ্য যে, তিনি পাকিস্তান আমলে ৪ হাজার ৬৭৫ দিন জেলে ছিলেন । প্রথম কারা ভোগ করেন ১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ শাসন আমলে ৭ দিন।

Related Question

View All
  • ফিদেল কাস্ট্রো
  • নেলসন ম্যান্ডেলা
  • মার্শাল টিটো
  • ইন্দিরা গান্ধী
375
  • নিঃসঙ্গ সঙ্গী
  • নিঃসঙ্গ লড়াই
  • নিঃসঙ্গ রাত
  • নিঃসঙ্গ রাত্রিবাস
1.7k
  • ১১ মার্চ ১৯৪৮
  • ২২ মার্চ ১৯৪৮
  • ১১ মার্চ ১৯৫২
  • ২২ মার্চ ১৯৫২
2k
  • ১ মার্চ ১৯৬৬
  • ২ মার্চ ১৯৬৬
  • ৩ মার্চ ১৯৬৬
  • ৪ মার্চ ১৯৬৬
4.9k
  • ১৫ জানুয়ারি
  • ৭ মার্চ
  • ১০ অক্টোবর
  • ১৮ অক্টোবর
538
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই